https://www.voiceofpeople24.com/
4884
politics
প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২৮
চলমান বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের কাছে ৯০ দিনের একটি দৃশ্যমান কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে সংকট মোকাবিলায় সরকার, বিরোধী দল, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী ও স্বাধীন জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ‘যৌথ বাস্তবায়ন কাঠামো’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ কমাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
গোলাম পরওয়ার বলেন, তিন মাসের মধ্যে সমুদ্রে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান বা বড় পাইপলাইন নির্মাণ সম্ভব নয়। তবে এ সময়ের মধ্যে দ্রুত ফলদায়ক গ্যাসকূপের ওয়ার্কওভার শুরু, বন্ধ ও কম উৎপাদনশীল কূপের তালিকা প্রকাশ, ভোলার গ্যাস অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় ব্যবহার এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, গ্যাস সরবরাহের সময়সূচি প্রকাশ, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) ও ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা কার্যকর করার মতো পদক্ষেপও ৯০ দিনের মধ্যে নেওয়া সম্ভব।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিরোধী দলগুলোর কাছে কার্যকর পরিকল্পনা দেওয়ার আহ্বানকে তাঁর দল ইতিবাচকভাবে দেখছে। গত ২১ মে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দেওয়া ১০ দফা সুপারিশ সরকারের কাছে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন পরিকল্পনার চেয়ে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
জামায়াতের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে দ্রুত ওয়ার্কওভার, ভোলা, জামালপুর ও জকিগঞ্জের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার উদ্যোগ, স্থল ও সমুদ্রভাগে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার এবং বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি।
এ ছাড়া সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) দ্রুত কার্যকর করা, জ্বালানি সরবরাহে ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু এবং রুফটপ সোলারের ব্যবহার সম্প্রসারণেরও প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
জামায়াতের দাবি, ৯০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পর এর অগ্রগতি প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে হবে।