https://www.voiceofpeople24.com/
4826
whole-country
প্রকাশিত : ০৮ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩১
রাজধানীর গুলশানে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডের একটি রেস্তোরাঁয় বৈঠক করার সময় আওয়ামী লীগের ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা-পুলিশ।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলার ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন যশোরের চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও চৌগাছা মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের প্রভাষক নান্নু মিয়া, সাবেক ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আমিনুর রহমান পলাশ, মাদারীপুরের আওয়ামী লীগ কর্মী সজল আহমেদ এবং চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন।
পুলিশের ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, পুলিশ প্লাজার একটি রেস্তোরাঁয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী বৈঠক করছেন। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়।
ওসি দাউদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, বৈঠক শেষে রাজধানীতে মিছিল করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বৈঠকে চৌগাছা উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এ সময় বিভিন্ন পদে সম্ভাব্য নেতাদের নাম নিয়ে আলোচনা এবং প্রস্তাবিত কমিটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয় বলে সূত্রের দাবি।
সূত্রের ভাষ্য, বৈঠকে উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটি গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়। এসব কমিটি ঘোষণার পর ঢাকায় মিছিল করার পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বৈঠকে থাকা কয়েকজন সেখান থেকে চলে যান বলে সূত্র জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, চৌগাছার দলীয় কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ঢাকায় বসে কমিটি গঠন ও পরবর্তী কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এর আগেও ওই এলাকার কয়েকজন নেতা-কর্মী বাস ভাড়া করে ঢাকায় এসে মিছিল করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
তবে বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।