https://www.voiceofpeople24.com/
4514
sports
স্পেনের জয়রথ থামিয়ে রাতারাতি তারকা ভোজিনহা
প্রকাশিত : ১৬ জুন ২০২৬ ১২:৫৮
বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়েছে আফ্রিকার ছোট্ট দেশ কেপ ভার্দে। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে তারা উপহার দিয়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় অঘটন। আর এই রূপকথার নেপথ্যের নায়ক ছিলেন ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা।
ম্যাচজুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের দখলে। একের পর এক আক্রমণে কেপ ভার্দের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তুললেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি তারা। কারণ গোলবারের নিচে অটল ছিলেন ভোজিনহা। মিকেল ওইয়ারসাবাল, ফেরান তোরেস কিংবা আইমেরিক লাপোর্তে—স্পেনের তারকা ফুটবলারদের সব চেষ্টাই ব্যর্থ করে দেন তিনি। দুর্দান্ত সাতটি সেভ করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।
ভোজিনহার এই অসাধারণ পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হন ব্রাজিলের জনপ্রিয় স্পোর্টস স্ট্রিমার ক্যাসিমিরো মিগেল। ম্যাচ চলাকালীন নিজের লাইভ স্ট্রিমে দর্শকদের ভোজিনহার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করার আহ্বান জানান তিনি। তখন তার ফলোয়ার সংখ্যা ছিল মাত্র ৫০ হাজার। কয়েক মিনিটের মধ্যেই যোগ হয় আরও তিন লাখের বেশি অনুসারী। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর সেই সংখ্যা বাড়তে থাকে অবিশ্বাস্য গতিতে। রাতারাতি তা ১১ লাখ ছাড়িয়ে বর্তমানে পৌঁছেছে প্রায় ৪৯ লাখে। কেপ ভার্দের মতো ছোট ফুটবল জাতির একজন খেলোয়াড়ের জন্য যা সত্যিই বিস্ময়কর এক অর্জন।
ভোজিনহার প্রকৃত নাম জোসিমার হোসে এভোরা দিয়াস। তবে ফুটবল দুনিয়ায় তিনি বেশি পরিচিত ‘ভোজিনহা’ নামেই। এই নামের পেছনেও রয়েছে আবেগঘন এক গল্প। সাও ভিসেন্তে দ্বীপে দাদা-দাদির স্নেহে বেড়ে ওঠা এই গোলরক্ষককে ছোটবেলা থেকেই আদর করে ‘ভোজিনহা’ বলে ডাকতেন তারা। পর্তুগিজ ভাষায় যার অর্থ, দাদা-দাদির আদরের নাতি। সেই আদরের নাতিই আজ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব চাভেসের হয়ে খেলছেন। এর আগে গিল ভিসেন্তে ও এএল লিমাসোলের জার্সিতেও মাঠ মাতিয়েছেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।