https://www.voiceofpeople24.com/

4732

national

জাতীয়

শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৩ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত : ২৭ জুলাই ২০২৬ ১৬:২৫

শেয়ারবাজারে কারসাজি ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি টাকার বেশি অর্থ পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন নির্ধারিত থাকলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সরকারি পরিচালক আমিনুল ইসলাম।

মামলাটি গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন দায়ের করেন।

সাকিব আল হাসান ছাড়াও মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের, তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান এবং আরও কয়েকজন ব্যক্তি।

মামলার অভিযোগ

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব ব্যবহার করে সংঘবদ্ধভাবে শেয়ারবাজারে কারসাজি করতেন। ধারাবাহিকভাবে নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হতো। পরে উচ্চমূল্যে শেয়ার বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করেছে, যা অপরাধলব্ধ অর্থ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আবুল খায়ের শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন ব্যাংকিং লেনদেনের মাধ্যমে স্থানান্তর করে মানি লন্ডারিং করেছেন। তাঁর নামে পরিচালিত ১৭টি ব্যাংক হিসাবেও ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়, আবুল খায়েরের কারসাজির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের মাধ্যমে সাকিব আল হাসানও বাজার কারসাজিতে যুক্ত হন। এভাবে তিনি ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ বর্তমানে তদন্তাধীন এবং এ বিষয়ে আদালতে এখনও কোনো চূড়ান্ত রায় হয়নি।