https://www.voiceofpeople24.com/
4727
national
প্রকাশিত : ২৭ জুলাই ২০২৬ ১৩:০৪
জাতীয় সংসদ ভবনের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়ন এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আধুনিক সংসদীয় অডিও প্রযুক্তি নিয়ে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা করা হয়। গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, সিস্টেমের সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি নতুন সাউন্ড সিস্টেমের কার্যকারিতা, প্রযুক্তিগত সুবিধা এবং সংসদীয় অধিবেশন নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় উপস্থিত অতিথিরা প্রস্তাবিত প্রযুক্তি সম্পর্কে মতামত দেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় সরকার ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এছাড়া গণপূর্ত অধিদপ্তর ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
চলতি বছরের ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটির কারণে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়। পরদিনও হেডফোন ও শব্দযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কয়েকজন সংসদ সদস্য। পরে ৫ এপ্রিল আবারও একই ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাট দেখা দেয়, যার ফলে অধিবেশন কিছু সময়ের জন্য মুলতবি করা হয়।
ঘটনাগুলোর পর শব্দযন্ত্রে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ তদন্তে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। একই সঙ্গে সংসদের সাউন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এসআইএস) পরিচালনা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে অনিয়ম, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, জাহিদুর রহিম জোয়ারদার, তাঁর প্রতিষ্ঠান কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রকৌশলীর যোগসাজশে সংসদের এসআইএস প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ক্রয়ের ক্ষেত্রেও তাঁর বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।