https://www.voiceofpeople24.com/

4706

national

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের জোর গুঞ্জন, আজ বা কালই সিদ্ধান্ত হতে পারে

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই ২০২৬ ১১:১১

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ শুক্রবার অথবা আগামীকাল শনিবার পদত্যাগ করতে পারেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। সম্ভাব্য পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করতে পারেন। পদত্যাগের পর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশে যাওয়ারও প্রস্তুতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের আগেই আজ দেশে ফিরছেন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এজন্যই তাঁর সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

বিএনপির একাধিক সূত্রের দাবি, সম্প্রতি দলটির উচ্চপর্যায় থেকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যোগাযোগ করে পদত্যাগের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পদত্যাগের পর তাঁকে কোনো ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো উদ্যোগের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি যদি ব্যক্তিগত বা স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করতে চান, সেটি তাঁর সাংবিধানিক অধিকার। তবে এ বিষয়ে সরকারের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলমও জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি। পদত্যাগ করলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তাঁকে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। এরপর পদটি শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে। এর মধ্যে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপির অভ্যন্তরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও দলটির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর বর্তমান মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হওয়ার কথা।

প্রকাশের আগে উল্লেখিত তথ্যগুলো সর্বশেষ সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য সূত্র দিয়ে যাচাই করে নেওয়া উচিত, কারণ প্রতিবেদনের বেশ কয়েকটি দাবি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।