https://www.voiceofpeople24.com/
4920
sports
প্রকাশিত : ২২ আগস্ট ২০২৬ ১০:২১
প্রথম সেশন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫ রান নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। তখন ৪৮ বলে ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁকে ঘিরেই কিছুটা আশার আলো দেখছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় সেশন শুরু হতেই সেই আশাও শেষ হয়ে যায়।
প্যাট কামিন্সের অফস্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে তৃতীয় স্লিপে বিউ ওয়েবস্টারের হাতে ক্যাচ দেন মিরাজ। কোনো রান যোগ না করেই ফেরেন তিনি।
এরপর জশ হ্যাজলউডের শর্ট বলে গ্ল্যান্স করতে গিয়ে লেগ স্লিপে নাথান লায়নের হাতে ক্যাচ দেন হাসান। ১০ রান করেন এই পেসার।
শেষ উইকেটে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন শরীফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার অপেক্ষা বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত মিচেল স্টার্কের বলে অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শরীফুল। এতে ভাঙে ২৫ রানের জুটি—বাংলাদেশের ইনিংসে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় জুটি। ১৪ রান করে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও হন শরীফুল। তাইজুল অপরাজিত থাকেন ১১ রানে।
বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর ছিলেন মিচেল স্টার্ক। মাত্র ১২ রানেই বাংলাদেশের ৫ ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান এই বাঁহাতি পেসার। সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস—চারজনই ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই। সব মিলিয়ে ১২ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন স্টার্ক।
অন্যদিকে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝেও উইকেট আঁকড়ে থাকার চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম। তবে ৪২ বলে মাত্র ৫ রান করে প্যাট কামিন্সের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। কামিন্স নেন ২৫ রানে ৩ উইকেট।
শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের সামনে মাত্র ৬৪ রানেই থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।