কমলগঞ্জে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, হুমকিতে তীরবর্তী বাসিন্ধারা।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর কুমড়াকাপন গ্রামে নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে প্রকাশ্য দিবালোকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী শতাধিক বসতঘর ও প্রতিরক্ষা বাঁধ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অবৈধ কাজ চললেও কার্যকর কোনো প্রতিকার মিলছে না।
জানা গেছে, কমলগঞ্জ পৌর এলাকার কুমড়াকাপন এলাকায় থেকে নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ কেটে বালুবাহী গাড়ি চলাচলের জন্য অবৈধভাবে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সারি সারি ট্রাক ও ড্রাম ট্রাক যোগে বালু পাচার করা হচ্ছে। এদিকে,যত্রতত্র বালু উত্তোলন এবং ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ নদী রক্ষা বাঁধটি প্রতিনিয়ত ধসে পড়ছে এবং চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। নদীতে পানির চাপ বাড়লেই বাঁধটি ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প¬াবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা। বিশেষ করে উপজেলা প্রশাসন ও কমলগঞ্জ থানা থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে প্রকাশ্যেই এই কর্মযজ্ঞ চলছে। প্রভাবশালী একটি চক্র কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নদী থেকে অবাধে এই বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছে।
গ্রামবাসীর অভিযোগ,অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বাঁধ কাটার বাঁধা দিলে মহলটি নানা মামলা-হামলার ভয় প্রদর্শন করে। বাদ্য হয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার মৌখিকভাবে জানানো সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রশাসনের এই উদাসীনতা ও নীরবতাকে রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
স্থানীয় পরিবেশবাদী নেতা মো. নুরুল মোহাইমীন মিল্টন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, নির্ধারিত ইজারাবহির্ভূত স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সদ্বীপ তালুকদার বলেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.