যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত অস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে
ইরানের সঙ্গেই যুদ্ধ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত অস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। একইসঙ্গে, অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হয়েছে বড় ধরনের সংকট। ইউএস গভর্নমেন্ট ওয়াচডগের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল (১৫.৯.২০২৬) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নত অস্ত্রের কৌশলগত মজুতের ঘাটতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুতর জটিলতা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর, পররাষ্ট্র দফতর এবং ইউএসএআইডির মহাপরিদর্শকদের সমন্বয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের পর মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত কতটা কমেছে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটনের প্রথম আনুষ্ঠানিক হিসাব তুলে ধরেছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্রও এতে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টরের মজুত যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের ৩ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। শুধু অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়াই নয়, ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডান: এই আট দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলায় শত শত স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া এসব হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন সামরিক বিমান ও ড্রোনও ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ধ্বংস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.