গাজায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে গণহত্যার প্রমাণ মুছে যাওয়ার শঙ্কা

প্রকাশিত: ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৩১ (বুধবার)
গাজায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে গণহত্যার প্রমাণ মুছে যাওয়ার শঙ্কা


গাজায় ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। এতে কথিত যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা মরদেহ উদ্ধার ও শনাক্ত করার সুযোগও নষ্ট হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজ।
সোমবার এক বিবৃতিতে আলবানিজ বলেন, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষের মরদেহ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যমান প্রমাণ রয়েছে। এর মধ্যে গণহত্যার অভিযোগের তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণও থাকতে পারে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হিসাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গাজায় এখনো ১০ হাজারের বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারেন।
আলবানিজ জানান, একাধিক সূত্র থেকে তিনি বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পেয়েছেন যে গাজায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে ইসরায়েলি কোম্পানিগুলোও জড়িত। তবে তিনি কোম্পানিগুলোর নাম প্রকাশ করেননি।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলে হামাসের আকস্মিক হামলার পর গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরু হয়। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দুই বছরের যুদ্ধে গাজায় প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ ও বর্জ্য জমেছে। এসব ধ্বংসস্তূপ সরাতে প্রায় সাত বছর সময় লাগতে পারে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ইসরায়েলি অভিযানে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৪৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গত অক্টোবরে হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও ১ হাজার ৩২৯ জনের বেশি নিহত হয়েছেন বলে মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে।
 

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোতাহার হোসেন

মোবাইল: ০১৩৩২-৮৪৫৬৯৯

তথ্য ও প্রযুক্তি সহযোগী - আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.