বিশ্বনাথে ২০ সড়কে খানাখন্দ, দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-রোগীসহ পথচারীরা
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাকা সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে কাদা সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশ্বনাথ আরএইচডি কুরুয়া-শাসরাম, বিশ্বনাথ-হাবড়া-মাছুখালী, রামপাশা-আশুগঞ্জ বাজার-পনাউল্লা, রামপাশা-ভোলাগঞ্জ-প্রীতিগঞ্জ বাজার-লামাকাজী, কালীগঞ্জ-মনাইকান্দি-সৎপুর, কালীগঞ্জ-দাউদপুর-সমসপুর, পীরের বাজার-বাউসী-মাহবাজপুর, দশপাইকা-হাবড়া বাজার এবং রাজাগঞ্জ বাজার থেকে খাজাঞ্চি স্টেশন-মুফতির বাজার-কামাল বাজার পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া বৈরাগীবাজার-আমতৈল পিছের মুখ-নওধা-বৈরাগীগাঁও-জগদীশপুর সড়কসহ অন্তত ২০টি সড়কের বিভিন্ন অংশে একই অবস্থা দেখা গেছে।
এসব সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীদের চলাচল করতে হচ্ছে। বর্ষায় গর্তে পানি জমে থাকায় অনেক জায়গায় সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ চেনাও কঠিন হয়ে পড়ে।
শিক্ষার্থী ফাতিমা, মাহিদ ও তানজিম আক্তার বলেন, সড়কে খানাখন্দ থাকায় প্রতিদিন যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কগুলো সংস্কারের দাবি জানান তারা।
ট্রাকচালক বাবুল মিয়া বলেন, আগে যে পথে যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগত, এখন সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সেখানে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগছে। এতে সময় অপচয়ের পাশাপাশি গাড়িরও ক্ষতি হচ্ছে।
অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে আসা শামীম আহমদ বলেন, বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর আঞ্চলিক সড়কের অবস্থা এতটাই খারাপ যে, অতিরিক্ত ঝাঁকুনিতে রোগীর অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মনে হয়েছে, ঝাঁকুনিতে রোগীর মৃত্যুই না ঘটে।
বিশ্বনাথ উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, রাস্তা সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ঢাকায় ফাইল পাঠানো হয়েছে। দ্রুত এসব সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হবে বলে আশা করছেন তিনি।
সিলেট জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন খান বলেন, বিশ্বনাথের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। তবে চাহিদার তুলনায় বাজেট কম। এরপরও সবচেয়ে খারাপ সড়কগুলোর সংস্কারকাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.