তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:১৯ (সোমবার)
তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: ভারতীয় হাইকমিশনার

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর ‘আরও দ্রুত হওয়া উচিত’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রোববার রাতে রাজধানীর বারিধারায় বাংলাদেশে আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তাঁর স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু একটি সীমান্তের অংশীদার নয়, দুই দেশের মানুষ বাস্তবে একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে। দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকতেই পারে। তবে অভিন্ন লক্ষ্য থাকলে এসব সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

তিনি বলেন, তাঁর মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের একটি ‘সোনালি সময়’ প্রতিষ্ঠা করা। এ জন্য দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘জনগণের নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই নেতা যখন একসঙ্গে বসবেন এবং পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, তখন এমন কোনো সমস্যা বা ইস্যু নেই, যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।

এর আগে শনিবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দীনেশ ত্রিবেদী। সেখানে তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, বাণিজ্য, যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারত্ব এগিয়ে যাচ্ছে। অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তির কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের ওপর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগই এ দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের অন্যতম প্রধান ভিত্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, দুই দেশের নেতারা বৈঠকে বসলে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতপার্থক্য ও সমস্যা থাকবেই। তবে দুই দেশের জনগণের স্বার্থে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভালো সম্পর্ক উভয় দেশের জন্যই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোতাহার হোসেন

মোবাইল: ০১৩৩২-৮৪৫৬৯৯

তথ্য ও প্রযুক্তি সহযোগী - আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.