অনভিজ্ঞ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কাছেই পাত্তা পাচ্ছে না বাংলাদেশ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি বাংলাদেশ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তুলনামূলক অনভিজ্ঞ একাদশের বিপক্ষেও ব্যাটিংয়ে ভুগেছে সফরকারীরা। একমাত্র মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরিই ছিল বাংলাদেশের ইনিংসের বড় প্রাপ্তি।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একাদশে পরিচিত মুখ বলতে ছিলেন স্যাম কনস্টাস ও জশ ফিলিপে। তবে অপরিচিত এই দলের বিপক্ষেই প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
ইনিংসের হাল ধরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি অপরাজিত ১০৯ রান করে দলের সংগ্রহকে লড়াই করার মতো জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তাঁকে প্রয়োজনীয় সমর্থন দিতে পারেননি অন্য ব্যাটাররা। নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৭ এবং সাদমান ইসলাম অনিক ৩২ রান করলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।
নিম্নক্রমে সৌম্য সরকার ৪৮ এবং খালেদ আহমেদ ৬৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলায় বাংলাদেশের সংগ্রহ কিছুটা বাড়ে। এই দুটি জুটি না হলে দলটি আরও কম রানেই গুটিয়ে যেতে পারত। টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতা সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ৩৫৫ রান সংগ্রহ করে ৯২ রানের লিড নেয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৩০ রান করেন টিগ উইলি। এছাড়া জ্যাক ডোরান ৭৬, কার্টিস প্যাটারসন ৫৩ এবং জ্যাক ক্লেটন ৪৮ রান করেন। তুলনামূলক কম পরিচিত এই ব্যাটারদের দৃঢ় ব্যাটিং বাংলাদেশের বোলারদের কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে।
যদিও ব্যাটিংয়ে হতাশা ছিল, বোলিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেটের মধ্যে ৮টিই দখল করেন পেসাররা। হাসান মাহমুদ ৪২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন। তাসকিন আহমেদ নেন ২ উইকেট, আর খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেন পান একটি করে উইকেট। বাকি দুটি উইকেট তুলে নেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।
প্রস্তুতি ম্যাচে মিরাজের ব্যাটিং এবং পেসারদের বোলিং ইতিবাচক দিক হলেও, মূল টেস্ট সিরিজের আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ইউনিটের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.