কাউন্সিলর একরাম হত্যা: শেখ হাসিনা-বেনজীর-বদির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
রোববার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়ার পাশাপাশি পলাতক আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে অন্য তিন আসামিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ২৫ আগস্ট।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, মেজর রুহুল আমিন, সেনা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি এবং সেনা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।
এর মধ্যে আবদুর রহমান বদি, আনোয়ার লতিফ খান ও মাহাবুব আলম অন্য মামলায় বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। বাকি আটজনকে পলাতক উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এর আগে প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেয়।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৬ মে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক। ঘটনার পর তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে প্রকাশিত একটি অডিও রেকর্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.