বিশ্বকাপে বাজির অভিযোগে তদন্তের মুখে স্পেন

প্রকাশিত: ২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৩ (রবিবার)
বিশ্বকাপে বাজির অভিযোগে তদন্তের মুখে স্পেন

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে স্পেন জাতীয় ফুটবল দল। সাম্প্রতিক বিশ্বকাপে স্পেনের দুটি ম্যাচকে কেন্দ্র করে অস্বাভাবিক বাজির প্রবণতার অভিযোগ তদন্তের আওতায় এনেছে আন্তর্জাতিক স্বাধীন সংস্থা কোপেনহেগেন গ্রুপ। তবে এ ঘটনায় ম্যাচ পাতানো বা অনিয়মের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফিফা।

দ্য অ্যাথলেটিক–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রীড়া ইভেন্টে কারসাজি প্রতিরোধ ও নজরদারিতে কাজ করা কোপেনহেগেন গ্রুপ বিশ্বকাপ চলাকালে মোট সাতটি ঘটনাকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে সংস্থাটি ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য চেয়েছে।

তদন্তাধীন সাতটি ঘটনার মধ্যে দুটি স্পেনের ম্যাচকে ঘিরে। এর একটি হলো, কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেন জয় পাবে না—এমন পূর্বাভাসে পলিমার্কেট প্ল্যাটফর্মে অস্বাভাবিক পরিমাণ বাজি ধরা। অন্য ঘটনাটি সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচে ফেরান তোরেসের একটি গোল বাতিল করতে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) অস্বাভাবিক দীর্ঘ সময় নেওয়া।

কোপেনহেগেন গ্রুপ এ ঘটনাগুলোকে ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’ বা হলুদ সতর্কতা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। সংস্থাটির চার ধাপের সতর্কতা ব্যবস্থায় এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্তর। সাধারণত কোনো ম্যাচকে ঘিরে অস্বাভাবিক বাজি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন বা সম্ভাব্য তথ্য ফাঁসের ইঙ্গিত মিললে এমন সতর্কতা জারি করা হয়।

তবে এ ধরনের সতর্কতা মানেই ম্যাচ পাতানো বা অনিয়ম হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন ক্রীড়া বাজি–বিশেষজ্ঞ ও কোপেনহেগেন গ্রুপের সাবেক সহযোগী ক্রিশ্চিয়ান কালব।

দ্য অ্যাথলেটিককে তিনি বলেন, অনেক সময় বাজির বাজারে অডসের পরিবর্তন, তারল্যের ওঠানামা কিংবা অন্যান্য স্বাভাবিক বাজারগত কারণেও এমন সতর্কতা জারি হতে পারে। তাই সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এটিকে ম্যাচ কারসাজির প্রমাণ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

অন্যদিকে, ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বাজির কার্যক্রম বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কোনো প্রমাণ তাদের নজরে আসেনি। ফলে আপাতত স্পেনের ম্যাচগুলো নিয়ে তদন্ত চললেও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোতাহার হোসেন

মোবাইল: ০১৩৩২-৮৪৫৬৯৯

তথ্য ও প্রযুক্তি সহযোগী - আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.