সুনামগঞ্জে সাবেক মন্ত্রীর এপিএসসহ দুই নেতা গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জে পৃথক দুই মামলায় আওয়ামী লীগের দুই নেতার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসনাত হোসেন এবং জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু।
বুধবার সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক নুরুল হকের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন মো. হাসনাত হোসেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই দিন জগন্নাথপুর আমলি আদালতের বিচারক মো. এমদাদ হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান রেজাউল করিম রিজু। আদালত তার আবেদনও নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
হাসনাতের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম এবং রিজুর আইনজীবী নজরুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উভয় মামলার জামিন শুনানিতে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতা ও আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা অংশ নেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, সাবেক তিন সংসদ সদস্য এবং সাবেক তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৯৯ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় আসামি করা হয় মো. হাসনাত হোসেনকেও। দোয়ারাবাজার উপজেলার এরোয়াখাই গ্রামের বাসিন্দা হাফিজ আহমদ সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সুনামগঞ্জ পৌর শহরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত জহুর আলীর বড় ভাই।
অন্যদিকে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর, চুরি ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী এমএ মান্নান, আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম রিজুসহ ৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটির বাদী ছিলেন মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুন নূর।
পৃথক দুই মামলায় জামিন না পেয়ে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে আওয়ামী লীগের এই দুই নেতাকে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.